সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি
বন্ধুর ছুরিকাঘাতে নিহত ইমনের লাশ বৃহস্পতিবার বেলা ৪ টায় এলাকায় পৌছলে মহাসড়কে কফিন বন্দী নিহত লাশ মহাসড়কে রেখে হাজার হাজার মানুষ ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় অবারোধ করে ইমন হত্যা কারীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করে। ইমনের মা কফিনের সামনে দু হাত উচু করে দাড়িয়ে আছেন ছেলে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে।সিদ্ধিরগঞ্জে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে নিহত ইমনের লাশ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এলাকায় পৌছলে এলাকাবাসী ইমন হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার পূর্বক ফাঁসির দাবিতে ঢাকা চট্রগ্রাম মাসড়কের মৌচাক এলাকায় অবারোধ করেন। এ সময়ে কফিনে ইমনের লাশ মহাসড়কে রেখে ইমন হত্যাকারীর গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানান। বিকেল ৪ টা থেকে সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘন্টা মহাসড়কের উভয় দিকে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। ঘটনার খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান পিপিএম (বার) ঘটনাস্থলে গিয়ে ইমন হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেয় এলাকাবাসী। ফলে বিকেল সাড়ে ৫ টার পরে পুনরায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। উলেখ্য গত ২৭ জুলাই বুধবার দিবাগত রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের বাগমারার পূর্ব বাগমারা এলাকায় রাসেল ও তার সহযোগীরা ছুরিকাঘাত করে ইমন ও জয়কে মুমুর্ষ অবস্থায় দুজনকে ঢাকা মেডিকেল লেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে বৃহস্পতিবার সকালে ইমন মারা যায়। নিহত ইমনের সাথে ছুরিকাঘাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছেন । তার অবস্থাও আশংকাজনক বলে জানাগেছে।